বিশেষজ্ঞদের মতে, তেঁতুল উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং হৃদরোগীদের জন্যও উপকারী হতে পারে।
হজমের সমস্যা, পেটে গ্যাস কিংবা হাত-পা জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যায় তেঁতুলের শরবত উপকারী বলে মনে করা হয়।
তেঁতুলে থাকা ভেষজ উপাদান শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়ক। তেঁতুল পাতার চা ম্যালেরিয়া জ্বর কমাতে ব্যবহার করা হয় বলেও বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ রয়েছে।
শিশুদের কৃমিনাশক হিসেবেও এটি ব্যবহৃত হয়।
এ ছাড়া তেঁতুল ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। মুখের ঘা, ত্বকের প্রদাহ, পাইলস ও বাতের ব্যথা কমাতেও এর ব্যবহার রয়েছে।
পুষ্টিগুণের দিক থেকেও তেঁতুল বেশ সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও ভিটামিন সি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকা তেঁতুলে অনেক ফলের তুলনায় বেশি খনিজ উপাদান থাকে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তেঁতুলে প্রায় ২৩৯ ক্যালরি খাদ্যশক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়া এতে রয়েছে প্রোটিন, শর্করা, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, ভিটামিন বি ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান।
স্বাদ আর পুষ্টিগুণ, দুই মিলিয়ে তেঁতুল হতে পারে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার একটি উপকারী ফল। তবে অতিরিক্ত গ্রহণের আগে ব্যক্তিগত শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
