এক গ্লাস ঠান্ডা ডাবের পানি শুধু তৃষ্ণা মেটানোই নয়, পুষ্টিগুণে ভরপুর এই প্রাকৃতিক পানীয় শরীরের নানা উপকারে আসে। নিয়মিত ও পরিমিত ডাবের পানি পান করলে শরীর সতেজ থাকে, পানিশূন্যতা কমে এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ডাবের পানির নান পুষ্টিগুণ-
প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটের উৎস
ডাবের পানিতে রয়েছে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম—যা শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ডায়রিয়া, বমি বা অতিরিক্ত ঘামের পর এটি দ্রুত শক্তি ফেরাতে কার্যকর।
শরীর ঠান্ডা রাখে
গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ডাবের পানি শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখে। রোজা বা দীর্ঘ সময় রোদে থাকার পর এটি তাৎক্ষণিক স্বস্তি দেয়।
কম ক্যালরি, বেশি পুষ্টি
সফট ড্রিংকের তুলনায় ডাবের পানিতে ক্যালরি ও চিনি কম, কিন্তু ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে পর্যাপ্ত। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাওয়া ব্যক্তিদের জন্য এটি ভালো বিকল্প।
হৃদস্বাস্থ্যে সহায়ক
পটাশিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। নিয়মিত পরিমিত ডাবের পানি পান করলে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
হজমে উপকার
হালকা অ্যাসিডিটি, বদহজম বা কোষ্ঠকাঠিন্যে ডাবের পানি উপশম দিতে পারে। এতে থাকা প্রাকৃতিক এনজাইম হজম প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে।
কারা সতর্ক থাকবেন?
যাদের কিডনি সমস্যা বা উচ্চ পটাশিয়ামের ঝুঁকি আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডাবের পানি পান করা উচিত। অতিরিক্ত সেবন না করে পরিমিত মাত্রায় পান করাই উত্তম।
