শিস দেওয়ার আশ্চর্যজনক উপকারিতা

- Advertisements -

আপনি কি জানেন নিজের সাথে সবসময় চমৎকার ছোট্ট বাদ্যযন্ত্র বহন করেন? যখনই আপনি এটি বাজাতে চান, আপনাকে শুধু আপনার ঠোঁট গোল করে তার মধ্যে দিয়ে বাতাস বের করতে হবে। অনেকেই এটাকে শিস দেওয়া বলেন। শিস বাজানো এমন ধরনের ব্যাপার যা আপনি চাইলেই করতে পারেন। গান গাওয়ার মতো এর কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। এর সঙ্গে গলা ব্যথা বা কর্কশ স্বরের কোনো সম্পর্ক নেই। এর অনেক উপকারিতাও আছে।

শিস দেওয়া শুধু আপনাকে সুর তৈরি করতে বা পাখির ডাক অনুকরণ করতে সাহায্য করে না, বরং এটি আপনার মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে।

শিস দিলে আর কী কী উপকারিতা পাওয়া যায় তা জানানো হয়েছে ‘হেলদি বিল্ডার্সে’র এক প্রতিবেদনে।

Advertisements

মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে
আপনি অফিসের চার দেয়ালের মধ্যে থাকুন, বাড়ি ফেরার পথে ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে থাকুন, সারাদিন কাজের পর রাতের খাবার গরম করুন-যাই হোক না কেন, শিস বাজাতে পারেন। এটি মানসিক চাপ কমানোর কার্যকর একটি উপায়। শিস দেওয়া কিছু সময়ের জন্য আপনার মনকে শান্ত করতে ভূমিকা রাখবে।

উদ্বেগও কমায়
উদ্বেগ কমানোর একটি কৌশল হলো শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করা। চাইলে শুধু শিসও দিতে পারেন। এটি কেবল আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে না, বরং উদ্বেগের মানসিক ও শারীরিক লক্ষণগুলো থেকে আপনার মনোযোগ সরিয়ে নিতেও সাহায্য করবে।

মেজাজ ভালো করতে সহায়তা করে
যখনই আপনার মন খারাপ লাগবে, শিস দেওয়া শুরু করুন। অসংখ্য গবেষণায় দেখা গেছে, শিস দেওয়ার মতো একটি সাধারণ কাজ মন ভালো করার জন্য যথেষ্ট। আপনি পার্কে হাঁটার সময়, কোনো কিছু তৈরি করার সময়, কাগজের উপর আঁকিবুঁকি করার সময়—শিস দেওয়াকে যুক্ত করতে পারেন। এটি আপনার মেজাজ ভালো করতে সহায়ক হবে।

ফুসফুসের শক্তি বাড়ায়
নিয়মিত শিস দিলে শ্বাস-প্রশ্বাস শক্তিশালী হয় এবং এটি ফুসফুস ও ডায়াফ্রামকেও মজবুত করে। ফলে, এই অভ্যাস শরীরের প্রতিটি কোষ এবং অঙ্গে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অক্সিজেন আরও দক্ষতার সাথে সরবরাহ হয়। এছাড়াও, শিস দিলে শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় কার্বন ডাই অক্সাইড বের হয়ে যেতে সাহায্য করে।

Advertisements

ব্যায়ামকে কম একঘেয়ে করে তোলে
সবচেয়ে সহজ অথচ অত্যন্ত উপকারী ব্যায়ামগুলোর মধ্যে একটি হলো অন্তত ২০ মিনিট হাঁটা। যদি এটি আপনার কাছে একঘেয়ে লাগে, তবে প্রতিবার হাঁটার সময় শিস দেওয়ার কথা ভাবতে পারেন। শিস দিলে কয়েক মিনিটের হাঁটা কম একঘেয়ে মনে হয়।

তারুণ্যতা বজায় থাকে
যেহেতু শিস দেওয়ার অভ্যাস করলে মানসিক চাপ দূর হয় সে কারণে এই অভ্যাসে প্রাকৃতিকভাবেই চেহারায় তারুণ্যতা বজায় থাকে।

The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/5x7p
Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন