ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ এপ্রিল) বগুড়ার শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি এই কর্মসূচির কার্যক্রমে অংশ নেন। এসময় মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানকেও দেখা যায়।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গ্রামীণ এলাকার যেসব পরিবারের বসতভিটাসহ মোট জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার কম এবং মাসিক আয় ও সম্পদের নির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে, তারাই এই কার্ড পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে। নারীর ক্ষমতায়ন জোরদার করতে ফ্যামিলি কার্ডটি সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য, বিশেষ করে মা বা নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা হবে।
পরীক্ষামূলকভাবে আগামী জুন মাসের মধ্যে ১৪টি উপজেলায় ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারের হাতে দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড। এর আওতায় প্রতি পরিবার মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবে।
স্পর্শবিহীন জিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এই কার্ড। পরিবারের মা অথবা নারী প্রধানের নামে এই কার্ড ইস্যু করবে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে এই কার্ডকে সর্বজনীন সোশাল আইডি কার্ডে রূপান্তর করা হবে।
সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বেলা ১০টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনের ফলক উন্মোচন করেন। এ
রপর বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি এলাকায় অবস্থিত জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একই সফরে তিনি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বগুড়াসহ সাত জেলায় ই-বেইল বন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি বগুড়া সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমও আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেন তিনি।
