নাসিম রুমি: বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর থেকে দেওল পরিবারের সঙ্গে হেমা মালিনীর দূরত্ব নাকি প্রকট হয়েছে। অভিনেতার মুম্বাইয়ের স্মরণসভায় নাকি ডাকা হয়নি অভিনেত্রী।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎবারে সৎছেলেদের নিয়ে যে ধারণার কথা জানালেন হেমা মালিনী?
ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর এ মুহূর্তে দেওল পরিবারের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে চারদিকে নানা জল্পনা চলছে। অভিনেতার মৃত্যুর পর থেকেই নাকি দুই পরিবারের সংঘাত স্পষ্ট হয়েছে। যদিও হেমা মালিনী কিংবা ধর্মেন্দ্রর প্রথম পক্ষের স্ত্রীর পরিবারের তরফ থেকে কখনই কোনো মন্তব্য করা হয়নি বিষয়টি নিয়ে।
অভিনেতার দুই পক্ষে পরিবারের ছয় সন্তান— সানি দেওল, ববি দেওল ও তাদের দুই বোন। অন্যদিকে রয়েছেন হেমা মালিনীর দুই মেয়ে ঈশা দেওল ও অহনা দেওল। ভাইবোন হলেও গত চার দশক ধরে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রেখেছেন সানি-ববি এবং ঈশা-অহনা। দীর্ঘ এই দূরত্বই নাকি ঘুচেছিল সানি ‘গদর ২’ সিনেমার কারণে। যদিও এখন নাকি আবার ছাড়া ছাড়া দুই পরিবার। ধর্মেন্দ্রর দুই ছেলে সানি ও ববিকে নিয়ে যে ভাব না, জানিয়েছেন হেমা।
সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা জানিয়েছিলেন, সানি ও ববি— দুজনেই খুব ভালো ছেলে। তবে ধর্মেন্দ্রর ছায়া দেখতে পাওয়া যায় কেবল সানির মধ্যে। বাইরে থেকে যতটা দূরত্ব মনে হয়, অন্দরের সমীকরণ তেমনটি নয়।
অভিনেত্রী আরও বলেছেন সানি আসলে ওর বাবার মতো। একেবারে ধরমজির ছায়া। হাঁটাচলা, কথাবার্তা ও ব্যবহার— সবই। ও সবাইকে আগলে রাখে। খুব ভালো ছেলে। সানির ছবির সাফল্যের পর তাকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন হেমা মালিনী।
যদিও ববিকে নিয়ে তেমন কিছু কখনই বলতে চাননি অভিনেত্রী। একটা অদৃশ্য দূরত্ব রয়েছে তাদের দুজনের মধ্যে। তবে হেমা সেই সময় জানিয়েছিলেন, ববি ছোট, তাই তার ধ্যানধারণাগুলো অন্য।
হেমার মেয়ে ঈশা বড় দাদার প্রসঙ্গে বলেন, আমাদের অনেক উপহার দেয়। বিদেশে ঘুরতে গেলে দাদার সঙ্গে সময় কাটাই। আমার বাহারি সব জুতার কেনার আবদার সানি দাদা মেটায়।
