বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, জ্বালানি সংকট, উচ্চ সুদহার এবং নতুন বিনিয়োগে স্থবিরতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই নতুন বিনিয়োগের পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যবসা ও শিল্পখাতকে টিকিয়ে রাখাও এখন বড় দায়িত্ব। অর্থনীতিকে গতিশীল করতে সরকার ব্যবসায়ী সমাজের মতামতকে গুরুত্ব দেবে। বাজেটে বেসরকারি খাতের প্রস্তাবনা অন্তর্ভুক্ত হবে।
বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই আয়োজিত ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শ কমিটির ৪৬তম সভায়’ তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে চাঙা করা এখন শুধু অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্যই নয়, সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থেও জরুরি। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নেওয়া নতুন সরকার আগামী বাজেটে বেসরকারি খাতের প্রস্তাবনাগুলো কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, সেই লক্ষ্যেই এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ব্যাংক ব্যবস্থাপনা ও লজিস্টিক খাতেও বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেসরকারি খাত থেকে নির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত প্রস্তাবনা আশা করছে সরকার।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
অর্থমন্ত্রীকে ব্যবসাবান্ধব উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সঠিক হাতে রয়েছে। আগামীদিনে এর ইতিবাচক ফলাফল দেশবাসী দেখতে পাবে।
এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খানের সভাপতিত্বে ও এফবিসিসিআই প্রশাসক আব্দুর রহিম খানের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় শীর্ষ ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
