English

31 C
Dhaka
সোমবার, জুলাই ৪, ২০২২
- Advertisement -

বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়

- Advertisements -

ঈদের দিন থেকেই দর্শনার্থীদের পদচারণায় মখরিত বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়। প্রতি শুক্রবার মহাস্থানগড় হযরত শাহ সুলতান বলখী রহঃ এর মাজারে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসুল্লিরা আসেন মাজার জিয়ারত করতে। তারই সাথে যোগ হয়েছে ঈদের বাড়তি আনন্দ উপভোগ করতে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে মহাস্থানগড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়৷

সরেজমিনে দেখা গেছে, শুক্রবার বৃষ্টির কারনে দুপুরে দর্শনার্থীরদের সমাগম কম হলেও বিকালে মহাস্থানগড়ের মানকালি, জিয়ৎকুন্ড ও জাদুঘরের সামনে দর্শনার্থীদের ছিল উপচেপড়া ভিড়। হাজার হাজার দর্শনার্থীরা মহাস্থানগড় জাহাজঘাটি নামক স্থানে ভিড় করছে। বিশেষ করে শুক্রবার জুম্মার নামাজ পরপরই দর্শকদের পদচারণায় মহাস্থানগড় জাদুঘর প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে উঠেছে।

মহাস্থানগড়ে পরিবার নিয়ে আগত গোবিন্দগঞ্জের আব্দুল মালেকের সাথে অনুভূতি জানতে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ২ বছর মহামারী করোনা আমাদের জীবন যাত্রা স্থবির করেছিল। আমরা ভুলে গিয়েছিলাম আনন্দ।

Advertisements

মহামারী করোনার পাশ কাটিয়ে প্রশান্তির ছোয়া পেতে আজ পরিবার পরিজনদের নিয়ে মহাস্থানগড়ে ভ্রমন করতে এসেছি।

বগুড়ার মহাস্থানগড় বলতে সদরের গোকুল মেধ বেহুলার বসরঘর, নরপতির ধাপ বলে পরিচিত ভাসুবিহার ও মহাস্থানগড়। তার মধ্যে অনেকের কাছেই প্রাধান্য হলো মহাস্থানগড় জাদুঘর এলাকা।

যেখানে রয়েছে পশুরামের রাজপ্রাসাদ, জাহাজ ঘাটা, জিয়ৎকুন্ড, শীলাদেবীর ঘাট, গোবিন্দ ভিটা, প্রত্নজাদুঘর, মহাস্থান বন্দর সংলগ্ন হযরত শাহ সুলতান বলখীর (র:) মাজার শরীফ।

শুক্রবার বৈরি আবহাওয়া হলেও পরন্ত বিকালে অপূর্ব মায়াভরা সবুজ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে দর্শনার্থীদেরকে মুগ্ধ করে তুলছে। সবচেয়ে মহাস্থানগড়ের বৈরাগী ভিটা স্থানটি দর্শনার্থীদের কাছে বেশি গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈশাখের খড়া মাসে অসহনীয় গরম থাকার কথা হলেও বিকালে ছিল স্বস্তির হাওয়া।

Advertisements

স্থানীয়রা বলছেন, বর্তমানে মহাস্থানগড় জাদুঘর স্থানটি দিন দিন ভ্রমণ পিপাসীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন বিকালে মুক্ত হাওয়ায় আড্ডা দিতে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় থাকছে। ঈদসহ বিশেষ বিশেষ দিনে দর্শনার্থীদের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
মহাস্থানগড় দার্শনিক এলাকা যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজি চালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন করে দর্শনার্থীরা এখানে আসছেন। কেউ পরিবার- পরিজন, কেউ বন্ধু বান্ধব, আত্মীয় স্বজন নিয়ে এখানে বেড়াতে এসেছেন। প্রচীন ইটের বেস্টুনে বসে বিকালে তরুণ তরুণীদের আড্ডা গান বাজনায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

আর এই আনন্দঘন মুহুর্তকে স্মৃতি চারণ করে রাখতে অনেকেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সেলফি তুলতে দেখা যায়। এদিকে জাদুঘরের পাশে করতোয়া নদী সংলগ্ন নতুন মনোরম স্থানে অনেকেই মনের আনন্দে ঘুরছেন ও বসে বসে সময় কাটাচ্ছেন।
মহাস্থান জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান রাজিয়া সুলতানা জানান, ঈদের পর থেকে দর্শনার্থীদের ভিড় বেশি ছিল। শুক্রবার দুপুর থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে দর্শার্থী কম। বিকালে একটু একটু বাড়তে থাকে।

পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বিক পরিস্থিতি ছিল তাদের নিয়ন্ত্রণে বলে যোগ করেন, কাস্টোডিয়ান রাজিয়া সুলতানা।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন