English

27 C
Dhaka
সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬
- Advertisement -

ফেলনা নয় পেঁপের বীজ, জানুন স্বাস্থ্য উপকারিতা

- Advertisements -

অনেকেই পেঁপে খেয়ে বীজ ফেলে দেন। তবে এই ছোট ছোট কালো বীজ স্বাস্থ্যগুণের দিক থেকে কোনও সুপারফুডের চেয়ে কম নয়।

ডায়েটিশিয়ান ও হেলথ কোচ বিধি চাওলার মতে, পেঁপের বীজে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিন। এর পাশাপাশি এতে জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজও পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই বীজ শরীরকে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

ওজন কমাতে সহায়ক:

যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের ডায়েটে পেঁপের বীজ হতে পারে একটি ভাল সংযোজন। এতে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূতি দেয়। ফলে বারবার কিছু খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ ফাইবারযুক্ত ডায়েট ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আমাদের অন্ত্রে থাকা কোটি কোটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা, হজম ও হরমোনের ভারসাম্যের সঙ্গে জড়িত। পেঁপের বীজে থাকা ‘কারপেইন’ নামের একটি উপাদান ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও অন্ত্রের কৃমি দূর করতে সাহায্য করে। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফোলা ও হজমজনিত সমস্যা কমতে পারে।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে উপকারী:

হৃদযন্ত্রের সুস্থতার জন্য কোলেস্টেরলের ভারসাম্য অত্যন্ত জরুরি। পেঁপের বীজে থাকা ফাইবার খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে এবং ভাল কোলেস্টেরল বজায় রাখতে সহায়তা করে। এতে থাকা ওলেইক অ্যাসিডও হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়।

অনেক মহিলাই ঋতুচক্রের সময় ব্যথার সমস্যায় ভোগেন। পেঁপের বীজে থাকা ক্যারোটেনয়েডস ইস্ট্রোজেন হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে, এটি পিরিয়ড ক্র্যাম্প কমাতেও সহায়ক হতে পারে, যদিও এ বিষয়ে আরও বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

ফুড পয়জনিং থেকে সুরক্ষা:

পেঁপের বীজে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ই. কোলাইয়ের মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। সে কারণেই ফুড পয়জনিং সংক্রান্ত সমস্যায় একে প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসাবেও ব্যবহার করা হয়।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর হওয়ায় এই বীজ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং লিভারের ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে। নিয়মিত কিন্তু পরিমিত মাত্রায় খেলে শরীর ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

পেঁপের বীজ খাওয়ার সঠিক উপায়:

পেঁপের বীজ খাওয়ার বেশ কয়েকটি সহজ উপায় রয়েছে। রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে স্যালাডের উপর ছড়িয়ে খাওয়া যেতে পারে। দই বা সসের সঙ্গেও মেশানো যায়। কেউ কেউ হালকা ঝাঁঝালো স্বাদের কারণে গোলমরিচের বিকল্প হিসাবেও এটি ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে এক টেবিলচামচ পর্যন্ত পেঁপের বীজ খাওয়াই যথেষ্ট। অতিরিক্ত খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে, তাই পরিমিতি বজায় রাখা জরুরি।

The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/ur2e
Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন