গত নভেম্বরে বিসিবির অন্যতম পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সফল কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব ও উদ্যোক্তা রুবাবা দৌলা। প্রায় পাঁচ মাসের দায়িত্বকালীন সময়ে তার জীবনে যুক্ত হয়েছে অসংখ্য অভিজ্ঞতা।
সম্প্রতি দেশে বেসরকারি টিভি চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এইচএসসিতে মেধা তালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করার বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে।
আপনার পড়াশোনা নিয়ে একটু জানতে চাই। আপনি বলছিলেন যে রিয়াদ থেকে এসএসসি পাস করেছিলেন এবং তারপর ফিরে এসে আপনি হলি ক্রস স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর আবার এক বছর পরে আপনি গেলেন চিটাগাং। তারপর আপনি কুমিল্লা বিভাগ থেকে এইচএসসিতে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছিলেন। এ বিষয়ে কিছু জানতে চাই।
জবাবে রুবাবা দৌলা বলেন, আমরা দেশে ফেরত এসছি ১৯৮৮ সালে। আমরা গিয়েছিলাম ৮৫ সালে। এসএসসি পরীক্ষার সময় আমরা ওখানে ছিলাম। সব সময় আমার আবায়া পরতে হতো। তখন আমার সুযোগ হয়েছিল ৯ বার ওমরা করার। পরে আমি ২০১১ সালে হজ করেছি। সেখানে অনেক ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস ছিল। তো তাদের সঙ্গে মিলেমিশে আসলে আমার ফার্স্ট এক্সপোজারটা হয়। ডিফারেন্ট কালচার অল পারসপেক্টিভ। ওইখানে আমি কিন্তু খুব স্পোর্টস করতাম। ওইখানে আমি ব্যাডমিন্টন ও লং জাম্পে চ্যাম্পিয়ন থাকতাম। এর পর দেশে এসে হোলি ক্রসে সাইন্সে ভর্তি হয়েছিলাম। তারপরে আমার আব্বার পোস্টিং হয়ে গেল চিটাগং। তো তখন আব্বা আম্মা ওখানে যাচ্ছে। আমাকে নিয়ে গেলেন চিটাগংয়ে। তখন চিটাগং এ আমি কমার্স কলেজে পড়লাম। তো ওই পড়ার সময় আমার আব্বা বুঝলো যে, আমি তো পড়াশোনায় কোনো মন নাই। আমার খালি মন খেলাধুলার দিকে।
তিনি বলেন, এক দিন আব্বা আমাকে ডেকে জানতে চান বাবা তুমি পিরামিডের কোথায় থাকতে চাও, নিচে না একদম ওপরে, ওপরে থাকলে মাত্র একজন থাকতে পারবে। তুমি যদি সেটা করতে চাও তবে ভিন্নভাবে নিজেকে চালাতে হবে। তখন আমার মাথায় জেদ চাপছে আমাকে কিছু করতে হবে। তো যাই হোক তারপরে আমি তিন মাস একদম মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। আমি আগে পড়েছি ইংরেজি মিডিয়ামে। সেই সময় আমার শিক্ষক, মা-বাবা আমাকে অনুবাদ করে দিত। তারপরে যখন রেজাল্ট আসলো তো রেজাল্ট যখন আসছে। আমার তো মনে আশাই নাই যে কিছু হবে। তো আমার আব্বা প্রথমে এরকম নিচে থেকে দেখতে শুরু করল। দেখে দেখে তারপরে ওপরের দিকে দেখে যে ফার্স্ট ডিভিশনেও নাই। তারপর দেখে যে স্ট্যান্ড করেছে তারপর আব্বু যখন বলল তখন মনে হলো যাক পাসতো করেছি। এর পর পত্রিকায় আমার ছবি ছাপা হয়।
