জানা গেছে, শুক্রবার তাকে প্রবাসী এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। কিন্তু বাল্যবিবাহে রাজি না হয়ে তহমিনা প্রাইভেট পড়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে জিয়ানগর থানায় আসে। পরে থানা পুলিশের সহযোগিতায় বাল্যবিবাহ না দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে তার বাবা আলম হাওলাদার তাকে বাড়িতে নিয়ে যান।
তবে রাতে পরিবারের পক্ষ থেকে মানসিক চাপ দেওয়া হলে শনিবার সকালে তহমিনা আবারও থানায় উপস্থিত হন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে যদি আবারও বাড়িতে পাঠানো হয়, তাহলে জোর করে বিয়ে দেওয়া হবে। আর মাত্র চার দিন পর এসএসসি পরীক্ষা, আমি প্রশাসন ও সবার সহযোগিতা চাই।
পরে থানা পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আবারও মেয়ের বাবা বাল্যবিবাহ না দেওয়ার অঙ্গীকার করেন এবং তাকে বাড়িতে নিয়ে যান।
তহমিনার বাবা আলম হাওলাদার বলেন, আমি গরিব মানুষ, ভালো ছেলে পেয়ে মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেছিলাম; কিন্তু মেয়ে রাজি না হওয়ায় বিয়ে হয়নি। আমি সবার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।
এ বিষয়ে এসআই সাইদুর রহমান জানান, এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তার বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষার জন্য দুই দিন থানায় আসে। আমরা তার অভিভাবককে ডেকে বাল্যবিবাহ না দেওয়ার মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করি।