জহিরুল ইসলাম মিশু,সিলেট ব্যুরো: মুশফিকের রেকর্ড গড়া ১৩৭ রানের ওপর ভর করে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। ফলে প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানসহ পাকিস্তানের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম রান। তাই পাকিস্তানকে জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হবে।
৪৩৭ রানের পাহাড়সমান লক্ষ্যে নেমে তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলে কেবল দুই ওভার ব্যাটিং করতে পেরেছে পাকিস্তান। তবে কোনো উইকেটও হারায়নি। রানের খাতাও খুলতে পারেনি সফরকারীরা। আলোকস্বল্পতার কারণে দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করে দেন আম্পায়াররা। ব্যাটিংয়ে আছেন দুই ওপেনার আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল।
সিলেটের তৃতীয় দিনটা আবর্তিত হয়েছে মুশফিককে ঘিরেই। তিনি যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, তখন বাংলাদেশের স্কোর ২৬.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ১১০ রান। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (১৫) দিনের খেলা শুরুর চতুর্থ ওভারে বিদায় নেন। শান্ত ফেরার পর বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ৩০.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১১৫ রান। লিটন দাসের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ১২৩ রানের জুটি গড়তে অবদান রাখেন মুশফিক।
লিটন তুলনামূলক আক্রমণাত্মক খেললেও মুশফিক প্রথাগত টেস্ট মেজাজে খেলতে থাকেন। ৯২ বলে ৫ চারে ৬৯ রান করে লিটন বিদায় নিলে ভেঙে যায় ১৮৮ বলের এই জুটি। লিটন সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেও মুশফিক তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন ১৭৮ বলে। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ১৪ সেঞ্চুরি এখন মুশফিকের। ১৩ সেঞ্চুরি করে দুইয়ে মুমিনুল হক। সেঞ্চুরি করার পথে ষষ্ঠ ও সপ্তম উইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৩৪ ও ৭৭ রানের দুটি জুটি গড়েন মুশফিক।
পাকিস্তানের খুররম শেহজাদ পেয়েছেন ৪ উইকেট। সাজিদ খান নিয়েছেন৩ উইকেট। ২ ও ১ উইকেট পেয়েছেন হাসান আলী ও আব্বাস।
