চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় চাঁদ রাতের বিশেষ নাটক ‘পড়ন্ত বিকেল’

- Advertisements -

বৈশাখী টিভিতে প্রচার হবে চাঁদ রাতের বিশেষ নাটক ‘পড়ন্ত বিকেল’। প্রচার হবে ২৭ মে রাত ১০.০০ টায়। চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় নাটকটি রচনা করেছেন শফিকুর রহমান শান্তুনু। অভিনয় করেছেন- ইরফান সাজ্জাদ, সুনেরাহ বিনতে কামাল, মিলি বাসারসহ অনেকেই। জটিল এক প্রেমকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েেেছ নাটকের কাহিনী। নাটকের গল্প বলতে গিয়ে পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী বলেন, নিনিত ও তানফির পরিচয়টা ঝগড়ার মধ্য দিয়ে। নিনিত চাকরি সূত্রে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা এসেছে। সে যে বাসায় ভাড়া নিয়েছে সেই বাড়িরই পাশের ফ্ল্র্যাটে থাকে তানফি। গল্পের শুরুতে দেখি, এক ডেলিভারি ম্যান নিনিতের ফ্ল্যাটে একটা পার্সেল ডেলিভারি দিয়ে যায়।

নিনিত পার্সেলের প্যাকেট খুলে দেখে, মেয়েদের টপস। সে তো এটা দেখে অবাক। এই টপস তাকে কে পাঠালো? এদিকে তানফি ডেলিভারি ম্যানকে ফোন করে বলে, আপনি কই ভাই? সেই কখন ফোন দিয়ে বললেন, পার্সেল নিয়ে আসবেন। ডেলিভারি ম্যান বলে, স্যারের কাছে দিয়ে আসছি আপা। তানফি রেগে বলে, কোন স্যার? ডেলিভারি ম্যান আবার আসে নিনিতের ফ্ল্যাটে। দেখা যায়, ডেলিভারি ম্যান ভুল করে তানফিকে না দিয়ে পাশের ফ্ল্রাটে পার্সেল দিয়েছে। তানফি তো তার পার্সেল খুলেছে দেখে নিনিতের ওপর মহা রাগ করে যা তা বলে বসে। নিনিত তানফিকে দেখে লাভ এট ফার্স্ট সাইট ভঙ্গিতে তাকিয়ে থাকে। কিছুই বলতে পারে না। পরদিন তানফি অফিসে যাওয়ার জন্য একটা রিক্সা ডাকে। কিন্তু রিক্সা আসতেই আরেক পাশ থেকে নিনিত উঠে বসে। তানফি রাগ করে বলে, এই রিক্সা আমি ডাকছি। আপনি নামেন। নিনিত বলে, আমি আগে উঠছি। আপনি গেলে আমার সাথে যেতে পারেন। তানফি রেগে বলে, আপনার মতো একটা অভদ্র অসভ্যের সাথে কোনদিনই যাবো না। নিনিত একরোখা। সে রিক্সা থেকে নামবে না। তানফি রিক্সাওলাকে ডাবল ভাড়া দিয়ে যেতে চায়। নিনিত বলে সে তিন ডবল ভাড়া দেবে। একপর্যায়ে রিক্সাওলা নিনিতকে নিয়েই চলে যায়। তানফি বলে, আপনার মতো ম্যানারলেস আজীবন রিক্সাতেই চলবে। তানফি অফিসে গেলে তার কলিগ বলে, বস ডেকেছে। সে বসের রুমে ঢুকে দেখে নিনিত বসা। তানফি তো আরেক ডিগ্রি রাগ। আপনি আমাকে ফলো করে আমার অফিসে এসেছেন?

Advertisements

এরপর থেকে দুজনের ঘনিষ্টতা বাড়ে। মাঝে মধ্যে তানফি এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু নিনিত বলে, আমি আপনার মায়ায় পড়েছি। আর আজীবন এই মায়ার বাধনে আটকে থাকতে চাই। তাদের জীবনে কিছুছোট ছোট মুহূর্ত্ত আসে। নিনিত তানফিকে ভালোবেসে ফেলে। একপর্যায়ে নিনিত তানফিকে প্রস্তাবাব দেয়। এরপর থেকে তানফি নিনিতের সাথে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এমন কী তানফি অফিসে আসাও বন্ধ করে দেয়। নিনিতকে তার বন্ধু পরামর্শ দেয়, মেয়েকে পেতে হলে আগে মেয়ের মাকে হাত করতে হবে। নিনিত এবার তানফির মাকে টার্গেট করে। মা একদিন বাজার নিয়ে ফিরছে। নিনিত ছুটে গিয়ে তার হাত থেকে থেকে বাজার নিয়ে বলে, আন্টি, আমি থাকতে আপনার মতো মুরুব্বি বাজার টানবে এটা মানা যায় না। নিনিতের বিনয় দেখে মা খুশি হয়।

Advertisements

নিনিত বলে, সে এ বাসাতেই পাশের ফ্ল্যাটে নতুন এসেছে। পরদিন মা মর্নিংওয়াকে বের হলে নিনিত তাকে ফলো করে যায়। মা বলে, বাবা তুমি কিছু মনে করো না। আমার মেয়েটার রাগ বেশি। নিনিত বলে, সে তানফিকে বিয়ে করতে চায়। মা বলে, তানফি রাজি থাকলে তার আপত্তি নেই। নিনিত বলে, ও তো আমাকে না করে দিয়েছে। মা একদিন তানফিকে বলে, ছেলেটাকে আমার তো দেখে শুনে ভালোই মনে হয়েছে। না করলি কেন? তানফি বলে, জানো না কেন? মা বলে, যদি তোর ভালোলাগে তুই ওকে বিয়ে করতে পারিস। তানফি জানায়, সে বিয়ে করবে না। এদিকে নিনিতকে তানফির মা বলে, তানফি আসলে তার মেয়ে না। তার পুত্রবধূ। একথা শুনে নিনিত বড় ধাক্কা খায়। কাহিনী এগিয়ে যেতে থাকে এভাবেই।

The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/uj1a
Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন