এদিন অতিথি আলোচক হিসেবে নিজের বক্তব্যে ঈশিতা বলেন, তামাকের সাথে আইন ও নীতি, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ বিভিন্ন বিষয় জড়িত।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মানস এর সাধারণ সম্পাদক ও কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ ও সঞ্চালনা করেন মানসের সিনিয়র প্রজেক্ট এন্ড কমিউনিকেশন অফিসার মো. আবু রায়হান।
সংবাদ সম্মেলন থেকে ই-সিগারেট ও নতুন তামাক পণ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা, নাটক ও চলচ্চিত্রসহ সকল বিনোদন মাধ্যমে ধূমপানের দৃশ্য বন্ধে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন এবং ওটিটি নীতিমালা পাস করা, অনলাইন ও সোস্যাল মিডিয়ায় তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা বন্ধ করা এবং কোম্পানিগুলোকে শাস্তির আওতায় আনা, তামাক পণ্যে উচ্চ কর ও মূল্য বৃদ্ধি করা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সচেতনতা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা, তামাক চাষের বিকল্প চাষাবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করা, তামাক কোম্পানিতে সরকারের অংশীদারিত্ব প্রত্যাহার, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি গ্রহণ এবং তামাক বিরোধী জনসচেতনতায় গণমাধ্যমের সক্রিয় ভূমিকা পালনের সুপারিশ তুলে ধরেন বক্তারা।
উল্লেখ্য, বিশ্বে প্রতি বছর ৮৭ লক্ষাধিক মানুষ মারা যায় তামাকের কারণে। দেশে বছরে ১ লাখ ৯৯ হাজারের বেশি মানুষ তামাকজনিক রোগে মারা যায়। তামাকের ক্ষয়-ক্ষতি প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৮৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ৩১ মে দিনটিকে ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।
