একটি দলের প্রার্থীকে শোকজ করলেই সংশ্লিষ্ট অফিসারকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
তিনি বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে একটি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থীকে শোকজ করা হলে ওই দিন বা পরের দিন সংশ্লিষ্ট অফিসার উইথড্র (প্রত্যাহার) হয়ে যাচ্ছেন।
সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে দেখা করে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ।
সার্বিক নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে ইসির সঙ্গে আলোচনা করতে ১১–দলীয় জোটের নেতারা সোমবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনে যান। এ সময় উপস্থিত জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ১১টি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, তারা দলীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন, বেশ কিছু জায়গায় নির্বাচনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি অস্বাভাবিক আচরণ করছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, সেটা পুলিশে আছেন, জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা আছেন, মাঠপর্যায়ে তারা কিছু অস্বাভাবিক আচরণ করছেন এবং তারা অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন বা নির্দিষ্ট কোনেও দলে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগ করছেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ইতোমধ্যে কিছু স্পেসিফিক অফিসারদের অপসারণ এবং পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছি। তবে ইসির কাছে ১১ দলের প্রার্থীরা কোনও অভিযোগ দিলে সেটার কোনও সাড়া পাওয়া যায় না বলেও অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ।
ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে ফোন নিয়ে যাওয়া যাবে না। নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তকে সারপ্রাইজ সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা চাই না এ ধরনের পরিস্থিতি আর তৈরি হোক। নির্বাচন কমিশনের কিছু কার্যক্রম আমাদের মনে হয় যে ইনফ্লুয়েন্সড হয়ে তারা করেন।”
