‘বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর নারী’ অভিনেত্রী ইসলাম গ্রহণ করেছেন?

- Advertisements -

নাসিম রুমি: চলতি বছরে পিপল ম্যাগাজিনের ‘ওয়ার্ল্ডস মোস্ট বিউটিফুল’ কভার স্টার নির্বাচিত হয়েছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে। বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী নারী নির্বাচিত হওয়ার পেছনে রয়েছে তার লড়াই ও বদলে যাওয়ার গল্প। এ খবরের জন্য আলোচনায় রয়েছেন অস্কার পুরস্কার জয়ী অ্যান। এর মধ্যে চর্চা শুরু হয়েছে, গোপনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এই অভিনেত্রী।

পিপল ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন অ্যান হ্যাথাওয়ে। এ আলাপচারিতায় খোলামেলা কথা বলেছেন। হলিউড যাত্রা ও সময়ের সঙ্গে তার দৃষ্টিভঙ্গি কীভাবে বদলেছে, সে বিষয়েও কথা বলেন। ৪৩ বছর বয়সের জীবন, ক্যারিয়ার, শান্তভাবে জীবনকে গ্রহণ করা, চাপ না নেওয়া এবং ভবিষ্যতের দিকে খোলা মন নিয়ে এগোনোর ভাবনা তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। সেই কথার ধারাবাহিকতায় অ্যান হ্যাথাওয়ে বলেন, “আমি দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন পেতে চাই, ইনশাআল্লাহ। আশা করি, আমি তা পাব।”

Advertisements

সবকিছু ঠিকই ছিল। কিন্তু সাক্ষাৎকারে কথা বলার সময়ে ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দটি ব্যবহার করার কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন অ্যান। এ মুহূর্তের ভিডিও ক্লিপ এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। নেটিজেনদের দাবি—সাধারণত, ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দটি ইসলাম ধর্মের অনুসারীরাই বলে থাকেন। ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দটি আরবি; যার বাংলা তরজমা—“যদি আল্লাহ্‌র ইচ্ছা হয়।”

নেটিজেনদের অনেকে শব্দটিকে সর্বজনীন অভিব্যক্তি হিসেবে দেখেছেন। ফলে কেউ কেউ প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলছেন, “এই বাক্যটি কি শুধু মুসলমানদের জন্যই? এটি তো আরবি শব্দ। আরবি একটি ভাষা। তাই এর সঙ্গে ধর্মীয় সম্পর্ক টানা ঠিক নয়।” তাছাড়া অনেকে বিষয়টি নিয়ে দ্বিধা প্রকাশ করেছেন। তবে এ নিয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি অ্যান।

১৯৮২ সালের ১২ নভেম্বর ব্রুকলেনে জন্মগ্রহণ করেন অ্যান হ্যাথাওয়ে। রোমান ক্যাথলিক হিসেবে নিউ ইয়র্কে তার বেড়ে ওঠা। ব্যক্তিগত জীবনে জুয়েলারি ডিজাইনার ও প্রযোজক অ্যাডাম শুলমানকে বিয়ে করেছেন অ্যান হ্যাথাওয়ে। তার বর ইহুদি ধর্মে বিশ্বাসী। ইহুদি ধর্মের আচার- অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যায়। অ্যাডামের সঙ্গে ১৩ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটো পুত্রসন্তান রয়েছে।

Advertisements

চলতি বছরটি ভীষণ ব্যস্ততায় কাটছে অ্যান হ্যাথাওয়ের। এ বছরে মুক্তি পাবে তার অভিনীত পাঁচটি সিনেমা, যার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ‘দ্য ডেভিল ওয়ারস প্রাডা টু’। প্রায় দুই দশক পর আবারো অ্যান্ডি স্যাকস চরিত্রে ফিরেছেন; এ যেন নস্টালজিয়া আর নতুন অভিজ্ঞতার এক মিশেল। তার সঙ্গে ফিরেছেন আগের সহশিল্পীরাও। যেমন—মেরিল স্ট্রিপ, এমিলি ব্লান্ট ও স্ট্যানলি টুচি। অ্যান হ্যাথাওয়ের ভাষায়—“এই পুনর্মিলন ছিল ‘সুন্দর ও আনন্দে ভরা এক অভিজ্ঞতা।”

The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/pp2r
Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন